সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিপদে ভেঙ্গে পড়েছেন? শিক্ষা নিন !!

বিপদে ভেঙ্গে পড়েছেন? শিক্ষা নিন !!

১) যখন রক্ত সম্পর্কীয় কেউ আপনার সাথে প্রতারনা করবে, ভেঙ্গে পড়বেন না।মনে রাখবেন, হজরত ইউসুফ (আ:) আপন ভাইদের দ্বারা প্রতারিত হয়েছিলেন ।

২) যখন পিতামাতা আপনার প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। মনে রাখবেন, হজরত ইব্রাহিম (আ:) নিজ পিতার দ্বারাই আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন ।

৩) যখন ঘোর বিপদে পতিত হয়ে বের হয়ে আসার আর কোন উপায়ান্তর খুঁজে না পান, আশার শেষ আলোটুকু ও দেখতে না পান, ভেঙ্গে পড়বেন না ।
মনে রাখবেন, হজরত ইউনুস (আ:) মাছের পেটের অন্ধকার প্রকোষ্ট থেকেও উদ্ধার হয়েছিলেন ।

৪) যখন আপনার বিরুদ্ধে অপবাদ আরোপ করা হবে আর গুজবে দুনিয়া ছড়িয়ে যাবে, ভেঙে পড়বেন না, এসবে কান দিবেন না ।
মনে রাখবেন, হজরত আয়শা সিদ্দিকা (র:) এর বিরুদ্ধেও অপবাদ আরোপ করা হয়েছিল ।

৫) যখন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, ব্যাথায় কাতরাতে থাকবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না ।
মনে রাখবেন, হজরত আইয়ুব (আ:) আপনার চেয়েও হাজার গুণ বেশি অসুস্থ ছিলেন।

৬) যখন আপনি নির্জন/একাকীত্বে ভোগেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন, হজরত আদম (আ:) কে, যাকে প্রথমে একাকী সঙ্গীবিহিন সৃষ্টি করা হয়েছিল ।

৭) যখন কোন যুক্তি দিয়েই আপনি কোন একটিbঅবস্থার পেছনের কারণ খুঁজে পাবেন না, তখন কোন প্রশ্ন ব্যতীতই স্মরণ করুন হজরত নুহ (আ:) এর কথা, যিনি অসময়ে কিস্তি/নৌকা তৈরি করেছিলেন ।

৮) যখন আপনি পরিবার, আত্মীয় - সজন, বন্ধু - বান্ধব, সর্বোপরি সারা দুনিয়ার দৃষ্টিতে কৌতুকের পাত্রে পরিণত হবেন, ভেঙ্গে পড়বেন না। স্মরণ করুন, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (স:) এর কথা, যিনি তাঁর আপনজনের হাসি - তামাশার পাত্রে পরিণত হয়ে ছিলেন।

৯) আল্লাহ্ তায়ালা তার প্রেরিত সকল পয়গম্বর গণকেই পরীক্ষায় ফেলেছিলেন এবং সকলকেই উদ্ধার করেছিলেন। এজন্য যে, যাতে করে দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে পরবর্তী উম্মতেরা ধৈর্য ধারণ করতে পারে, কষ্টসহিষ্ণু হতে পারে। 

           #আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন#

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Satulia Islamia Senior Madrasah (সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা) আদি ও বর্তমান

শিক্ষা প্রসারে সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে অন্যতম সেরা সিনিয়ার মাদ্রাসা। প্রথমে আমরা জেনে নেব সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। ১৯৪৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অবিভক্ত ভাঙ্গড় থানার ও অধুনা কাশিপুর থানার ভগবানপুর অঞ্চলে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সাতুলিয়া মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠালগ্নে একটি বৈঠকখানায় পড়াশোনা শুরু হয় শুরু হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এক বিশাল বিস্তৃত অট্টালিকার আকার ধারণ করেছে। সাতুলিয়া পার্শ্ববর্তী গাংআইট গ্রামে পাকাপোল জুনিয়ার হাই স্কুলে পূর্ববঙ্গ (বাংলাদেশ) এর নোয়াখালীর বাসিন্দা জালাল উদ্দিন সাহেব শিক্ষকতা করতেন। পাকাপোল জুনিয়ার হাই স্কুলের কাছে ভগবানপুর জুনিয়র হাই স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মাওলানা জালাল উদ্দিন সাহেব পিঠাপুকুরের রওশান আলি সাহেব, সাতুলিয়ার মৌলভী মাওলা বক্স সাহেব, গুছুড়িয়ার লাল মিয়া সাহেব প্রমুখের নিকট এলাকার মুসলিম বসতির কথা স্মরণ করিয়ে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দেন এবং সকলেই তার পরামর্শ সদরে গ্রহণ করেন। বিলম্ব না করে কিছুদিনের মধ্যেই...

মৃত্যু ও বিয়েতে কি অদ্ভুত মিল

মৃত্যু ও বিয়েতে কি অদ্ভুত মিল তোমারপালকি উঠলো ,আমার খাটিয়া উঠলো। ফুল তোমার উপরও ঝরলো,ফুল আমার উপরও ঝরলো। তফাৎ শুধু এই ট্কুই ছিল। তুমি সেজে গেলে,আমাকে সাজিয়ে নিয়ে গেলো। তুমি নিজের ঘরে চললে আমিও নিজের ঘরেই চললাম। তফাৎ শুধুই এই টুকুই ছিল তুমি নিজে উঠে গেলে, আমাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল। মাহফিল ওখানেও ছিল লোকজন এখনেও ছিল। তফাৎ এই টুকুই ছিল ওখানে সবাই হাসছিল এখানে সবাই কাদঁছে। কাজী ওখানেও ছিল মৌলভী এখানেও ছিল। দুটো আয়াত তোমার জন্যে পড়লো দুটো আয়াত আমার জন্যেও পড়লো তোমার বিয়ে পড়ালো আমার জানাজা পড়ালো  তফাৎ শুধু এই টুকুই ছিল তোমাকে করলো আপন আমাকে করলো দাফন। সংগ্রহে - মোঃ তৈয়েবুর রহমান 

আবু বকর আর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নানান বিষয়ে দ্বিমত ও তার সমাধান

আবু বকর আর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নানান বিষয়ে দ্বিমত করতেন, তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতো, এমনকি চরম পর্যায়ের রাগারাগিও।  ব্যক্তিগত মতামতের বেলায় তারা দুজন খুব কম সময়ই একমত হতেন। তাঁদের কাছে কোনো পরামর্শ চাওয়া হলে একজন বলতেন, এই দিকে যান, তো আরেকজন বলতেন, না ঐদিকে যান।  রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধের পর যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে সাহাবীদের কাছে জানতে চান।  আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মত দিলেনঃ "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরা তো আপনারই লোক, আপনারই পরিবার। তাদেরকে জীবিত রাখুন এবং সুযোগ দিন। হয়তোবা আল্লাহ তাদেরকে ইসলাম গ্রহণ করার তাওফিক দেবেন।" উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মত দিলেনঃ "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরাই তো আপনাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে, এরাই তো আপনাকে অবিশ্বাস করছে। (এখন তাদেরকে কিসের ক্ষমা) সুতরাং, আপনি তাদের শিরচ্ছেদ করুন।" দুজন সিনিয়র সাহাবী দুই ধরণের মত দিচ্ছেন। একজন বলছেন ক্ষমা করার কথা, তো আরেকজন বলছেন শাস্তি দেবার কথা।  কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "আল্লাহ কারো হৃদয়কে এতোটা কোমল বানি...