সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ইংরাজী ভাষায় ব্যুৎপত্তির জন্য তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী সি. এন. আন্নাদুরাই এর খ্যাতি ছিল জগৎজোড়া ।

*বিরল প্রতিভা*

ইংরাজী ভাষায় ব্যুৎপত্তির জন্য তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী সি. এন. আন্নাদুরাই এর খ্যাতি ছিল জগৎজোড়া ।

একজন ভারতীয়ের ইংরাজী ভাষায় অসামান্য কৃতিত্বকে স্বীকৃতি জানাতে ও *"Chubb Fellowship"* প্রদানের জন্য অ্যামেরিকার *"Yale University"* তাঁকে আমন্ত্রণ জানায় 1967 সালে ।

সম্মান প্রদানের পর্ব পরিসমাপ্তির পর ছাত্রদের সাথে পরিচিতি এবং ভাব বিনিময় করার সময় ছাত্ররা প্রস্তুত করে রেখেছিলো বাছাই করা প্রশ্নমালা যা নাকি ইংরাজী ভাষায় ব্যুৎপত্তির নির্ণায়ক ।
          
হলভর্তি ছাত্রদের মধ্যে থেকে একজন উঠে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো, " *একশোটা ইংরাজী শব্দ বলুন যাদের মধ্যে A, B, C এবং D এই চারটি alphabet থাকবে না ।*"
            
ভারতীয় পণ্ডিত সাথে সাথে বলা শুরু করলেন, 
"One, Two, Three, Four....." Ninetynine পর্যন্ত বলে থেমে গেলেন । হলের উপস্থিত সকলেই বিহ্বল, ধক্ ধক্ করতে থাকা হৃদযন্ত্রের অনুরণনে, বিস্ফারিত নয়নে অপেক্ষমাণ ১০০তম শব্দটির জন্য ! যদি তিনি বলে ফেলেন Hundred, তাহলে তো সর্বনাশ ! নিষিদ্ধ তালিকার alphabet 'D' একবার নয় তাতে দু'বার আছে !!  

কিন্তু একশোতম শব্দের অকস্মাৎ বিষ্ফোরণ *"STOP"*। উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, উৎকণ্ঠা সবকিছুই Stop, শুধু হৃদপিন্ডের ধকধকানিটা ছাড়া !

পরে আন্নাদুরাই বলেছিলেন, তিনি Zero দিয়ে শুরু করে Ninetynine পর্যন্ত বলে একশোটা শব্দ বানাতে পারতেন, কিন্তু তাহলে 
suspense-টা থাকতো না !

তাঁকে দ্বিতীয় যে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তা ছিল আরো হতবিহ্বলকর ! তাঁকে বলা হয় *ইংরাজীতে একটি বাক্য তৈরি করতে যার মধ্যে 'Because' শব্দটি পরপর তিনবার থাকবে !*
আবার শব্দহীন ! কোনো উত্তর নেই ! নীরবতা ভঙ্গ হলো ভারতীয় পণ্ডিতের বজ্রগম্ভীর কণ্ঠে উচ্চারিত একটি বাক্যে : 
*"A sentence never ends with 'Because', because, because is a conjunction."*

নিরবচ্ছিন্ন, প্রলম্বিত করতালিতে মুখরিত স্তব্ধতা ; অনন্ত নীরবতা টুকরো টুকরো, খান খান !

*Collected*

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Satulia Islamia Senior Madrasah (সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা) আদি ও বর্তমান

শিক্ষা প্রসারে সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে অন্যতম সেরা সিনিয়ার মাদ্রাসা। প্রথমে আমরা জেনে নেব সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। ১৯৪৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অবিভক্ত ভাঙ্গড় থানার ও অধুনা কাশিপুর থানার ভগবানপুর অঞ্চলে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সাতুলিয়া মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠালগ্নে একটি বৈঠকখানায় পড়াশোনা শুরু হয় শুরু হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এক বিশাল বিস্তৃত অট্টালিকার আকার ধারণ করেছে। সাতুলিয়া পার্শ্ববর্তী গাংআইট গ্রামে পাকাপোল জুনিয়ার হাই স্কুলে পূর্ববঙ্গ (বাংলাদেশ) এর নোয়াখালীর বাসিন্দা জালাল উদ্দিন সাহেব শিক্ষকতা করতেন। পাকাপোল জুনিয়ার হাই স্কুলের কাছে ভগবানপুর জুনিয়র হাই স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মাওলানা জালাল উদ্দিন সাহেব পিঠাপুকুরের রওশান আলি সাহেব, সাতুলিয়ার মৌলভী মাওলা বক্স সাহেব, গুছুড়িয়ার লাল মিয়া সাহেব প্রমুখের নিকট এলাকার মুসলিম বসতির কথা স্মরণ করিয়ে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দেন এবং সকলেই তার পরামর্শ সদরে গ্রহণ করেন। বিলম্ব না করে কিছুদিনের মধ্যেই...

মৃত্যু ও বিয়েতে কি অদ্ভুত মিল

মৃত্যু ও বিয়েতে কি অদ্ভুত মিল তোমারপালকি উঠলো ,আমার খাটিয়া উঠলো। ফুল তোমার উপরও ঝরলো,ফুল আমার উপরও ঝরলো। তফাৎ শুধু এই ট্কুই ছিল। তুমি সেজে গেলে,আমাকে সাজিয়ে নিয়ে গেলো। তুমি নিজের ঘরে চললে আমিও নিজের ঘরেই চললাম। তফাৎ শুধুই এই টুকুই ছিল তুমি নিজে উঠে গেলে, আমাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল। মাহফিল ওখানেও ছিল লোকজন এখনেও ছিল। তফাৎ এই টুকুই ছিল ওখানে সবাই হাসছিল এখানে সবাই কাদঁছে। কাজী ওখানেও ছিল মৌলভী এখানেও ছিল। দুটো আয়াত তোমার জন্যে পড়লো দুটো আয়াত আমার জন্যেও পড়লো তোমার বিয়ে পড়ালো আমার জানাজা পড়ালো  তফাৎ শুধু এই টুকুই ছিল তোমাকে করলো আপন আমাকে করলো দাফন। সংগ্রহে - মোঃ তৈয়েবুর রহমান 

আবু বকর আর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নানান বিষয়ে দ্বিমত ও তার সমাধান

আবু বকর আর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নানান বিষয়ে দ্বিমত করতেন, তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতো, এমনকি চরম পর্যায়ের রাগারাগিও।  ব্যক্তিগত মতামতের বেলায় তারা দুজন খুব কম সময়ই একমত হতেন। তাঁদের কাছে কোনো পরামর্শ চাওয়া হলে একজন বলতেন, এই দিকে যান, তো আরেকজন বলতেন, না ঐদিকে যান।  রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধের পর যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে সাহাবীদের কাছে জানতে চান।  আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মত দিলেনঃ "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরা তো আপনারই লোক, আপনারই পরিবার। তাদেরকে জীবিত রাখুন এবং সুযোগ দিন। হয়তোবা আল্লাহ তাদেরকে ইসলাম গ্রহণ করার তাওফিক দেবেন।" উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মত দিলেনঃ "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরাই তো আপনাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে, এরাই তো আপনাকে অবিশ্বাস করছে। (এখন তাদেরকে কিসের ক্ষমা) সুতরাং, আপনি তাদের শিরচ্ছেদ করুন।" দুজন সিনিয়র সাহাবী দুই ধরণের মত দিচ্ছেন। একজন বলছেন ক্ষমা করার কথা, তো আরেকজন বলছেন শাস্তি দেবার কথা।  কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "আল্লাহ কারো হৃদয়কে এতোটা কোমল বানি...