সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সর্ব শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এবার প্রমাণ দিল গুগল


সর্ব শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ সাঃ এবার প্রমাণ দিল গুগল

মুহাম্মদ সাঃ যার ছিল আল্লাহ প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা, অন্তরের পবিত্রতা, উদারতা, ন্যায়পরায়ণতা, সততা, ক্ষমা, ধৈর্য, মহত্ব, নম্রতা, আমানতদারী, সু-রুচিপূর্ণ মনোভাব ও কঠোর কর্তব্যনিষ্ঠা। যিনি ছিলেন ইয়াতিম হিসেবে সকলের স্নেহের পাত্র, স্বামী হিসেবে প্রেমময়, সঙ্গী হিসেবে বিশ্বস্ত, পিতা হিসেবে স্নেহের আধার, সফল ব্যবসায়ী, দূরদর্শী সংস্কারক, ন্যায় বিচারক, মহৎ রাজনীতিবিদ ও সফল রাষ্ট্রনায়ক, তিনি হলেন সর্বযুগের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হিসেবে বিশ্বের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ অনেক আগেই জেনেছে এবং কোরআন হাদিসেও প্রমাণ পাওয়া যায়। এবার প্রমাণ দিলা স্বয়ং গুগল সৌজন্যে মাইকেল এইচ. হার্ট এর লেখা 'The 100' বই। আমরা যদি গুগলে সার্চ করি যে 'Who is the greatest man in the world' বা 'Who is the the best man in the world' ইত্যাদি তাহলে আমরা দেখতে পাব যে সর্বপ্রথম হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম আসবে। এবার দেখা যাক কিছু কুরআন হাদিসের প্রমাণ: সুরা আল কলম আয়াত নাম্বার ৪ -وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ যার অর্থ - নিশ্চয়ই আপনি (রসূল সাঃ) মহান চরিত্রের অধিকারী।
সূরা আল আহযাব আয়াত নাম্বার ২১ -لَقَدۡ کَانَ لَکُمۡ فِیۡ رَسُوۡلِ اللّٰہِ اُسۡوَۃٌ حَسَنَۃٌ لِّمَنۡ کَانَ یَرۡجُوا اللّٰہَ وَ الۡیَوۡمَ الۡاٰخِرَ وَ ذَکَرَ اللّٰہَ کَثِیۡرًا যার অর্থ হলো - তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের আশা রাখে আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।
সূরা আল আম্বিয়া আয়াত নাম্বার ১০৭ - ومَاۤ اَرۡسَلۡنٰکَ اِلَّا رَحۡمَۃً لِّلۡعٰلَمِیۡنَ যার অর্থ হলো - আমি তোমাকে (রাসুল সাঃ) বিশ্ববাসীর জন্য পাঠিয়েছি কেবল রহমত হিসেবে।
এবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের মতামত কি সেটা জানা যাক: ঐতিহাসিক উইলিয়াম মুর রাসুল সাঃ এর জীবনী লিখতে গিয়ে বলেছেন, "he was the the matter mind not only of his own gea but of all ages" যার অর্থ হলো তিনি অর্থাৎ মুহাম্মদ সাঃ যে যুগে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন তাকে শুধু সেই যুগের একজন মনীষী বলা হবে না, বরং তিনি ছিলেন সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মনীষী। খ্রিস্টান ঐতিহাসিক মাইকেল এইচ. হার্ট তার লেখা "দ্য হান্ড্রেড" বইটিতে রাসূল সাঃ এর সম্পর্কে লিখেছেন যে "তিনি ছিলেন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমূল সংস্কারক। আজ এই সময়ে এই মহান মানুষটি কেউ কিছু মানুষরূপী পশু অবমাননা করার চেষ্টা করছে। আমরা বিশেষ করে শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষেরা যারা রসূল সাঃ কে অবমাননা করার চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবোই।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Satulia Islamia Senior Madrasah (সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা) আদি ও বর্তমান

শিক্ষা প্রসারে সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে অন্যতম সেরা সিনিয়ার মাদ্রাসা। প্রথমে আমরা জেনে নেব সাতুলিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। ১৯৪৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার অবিভক্ত ভাঙ্গড় থানার ও অধুনা কাশিপুর থানার ভগবানপুর অঞ্চলে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। সাতুলিয়া মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠালগ্নে একটি বৈঠকখানায় পড়াশোনা শুরু হয় শুরু হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এক বিশাল বিস্তৃত অট্টালিকার আকার ধারণ করেছে। সাতুলিয়া পার্শ্ববর্তী গাংআইট গ্রামে পাকাপোল জুনিয়ার হাই স্কুলে পূর্ববঙ্গ (বাংলাদেশ) এর নোয়াখালীর বাসিন্দা জালাল উদ্দিন সাহেব শিক্ষকতা করতেন। পাকাপোল জুনিয়ার হাই স্কুলের কাছে ভগবানপুর জুনিয়র হাই স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মাওলানা জালাল উদ্দিন সাহেব পিঠাপুকুরের রওশান আলি সাহেব, সাতুলিয়ার মৌলভী মাওলা বক্স সাহেব, গুছুড়িয়ার লাল মিয়া সাহেব প্রমুখের নিকট এলাকার মুসলিম বসতির কথা স্মরণ করিয়ে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দেন এবং সকলেই তার পরামর্শ সদরে গ্রহণ করেন। বিলম্ব না করে কিছুদিনের মধ্যেই...

মৃত্যু ও বিয়েতে কি অদ্ভুত মিল

মৃত্যু ও বিয়েতে কি অদ্ভুত মিল তোমারপালকি উঠলো ,আমার খাটিয়া উঠলো। ফুল তোমার উপরও ঝরলো,ফুল আমার উপরও ঝরলো। তফাৎ শুধু এই ট্কুই ছিল। তুমি সেজে গেলে,আমাকে সাজিয়ে নিয়ে গেলো। তুমি নিজের ঘরে চললে আমিও নিজের ঘরেই চললাম। তফাৎ শুধুই এই টুকুই ছিল তুমি নিজে উঠে গেলে, আমাকে উঠিয়ে নিয়ে গেল। মাহফিল ওখানেও ছিল লোকজন এখনেও ছিল। তফাৎ এই টুকুই ছিল ওখানে সবাই হাসছিল এখানে সবাই কাদঁছে। কাজী ওখানেও ছিল মৌলভী এখানেও ছিল। দুটো আয়াত তোমার জন্যে পড়লো দুটো আয়াত আমার জন্যেও পড়লো তোমার বিয়ে পড়ালো আমার জানাজা পড়ালো  তফাৎ শুধু এই টুকুই ছিল তোমাকে করলো আপন আমাকে করলো দাফন। সংগ্রহে - মোঃ তৈয়েবুর রহমান 

আবু বকর আর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নানান বিষয়ে দ্বিমত ও তার সমাধান

আবু বকর আর উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) নানান বিষয়ে দ্বিমত করতেন, তাদের মধ্যে মনোমালিন্য হতো, এমনকি চরম পর্যায়ের রাগারাগিও।  ব্যক্তিগত মতামতের বেলায় তারা দুজন খুব কম সময়ই একমত হতেন। তাঁদের কাছে কোনো পরামর্শ চাওয়া হলে একজন বলতেন, এই দিকে যান, তো আরেকজন বলতেন, না ঐদিকে যান।  রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধের পর যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে সাহাবীদের কাছে জানতে চান।  আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মত দিলেনঃ "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরা তো আপনারই লোক, আপনারই পরিবার। তাদেরকে জীবিত রাখুন এবং সুযোগ দিন। হয়তোবা আল্লাহ তাদেরকে ইসলাম গ্রহণ করার তাওফিক দেবেন।" উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মত দিলেনঃ "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরাই তো আপনাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে, এরাই তো আপনাকে অবিশ্বাস করছে। (এখন তাদেরকে কিসের ক্ষমা) সুতরাং, আপনি তাদের শিরচ্ছেদ করুন।" দুজন সিনিয়র সাহাবী দুই ধরণের মত দিচ্ছেন। একজন বলছেন ক্ষমা করার কথা, তো আরেকজন বলছেন শাস্তি দেবার কথা।  কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "আল্লাহ কারো হৃদয়কে এতোটা কোমল বানি...